যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

সাতক্ষীরায় ফুয়েল কার্ড ছাড়া মিলবে না তেল

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ,২০২৬, ১১:১৮ এ এম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ,২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
সাতক্ষীরায় ফুয়েল কার্ড ছাড়া মিলবে না তেল

সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল নিতে এখন থেকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে জেলা প্রশাসকের সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত 'ফুয়েল কার্ড'। নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার আগেই জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন। বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে জেলা তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এখন থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে তেল সরবরাহ করা হবে না। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে কোনো ফিলিং স্টেশন বা ডিলার পয়েন্টে তেল দেওয়া যাবে না।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, তেল নেওয়ার সময় চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও ট্যাক্স টোকেন সঙ্গে রাখতে হবে। পাশাপাশি হেলমেট পরিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ফুয়েল কার্ড জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিস এবং জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলে জানানো হয়।

এছাড়া প্লাস্টিক বোতল বা ড্রামসহ কোনো কন্টেইনারে জ্বালানি তেল বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনুমোদিত ফিলিং স্টেশন ছাড়া খোলাবাজারে জ্বালানি তেলের ক্রয়-বিক্রয়ও বন্ধ থাকবে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে জেলা প্রশাসন।

এদিকে নতুন এ নিয়ম চালুর খবরে বুধবার রাত থেকেই সাতক্ষীরার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেকেই এই ফুয়েল কার্ডকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার অনেকে এটিকে ভোগান্তি হিসেবে দেখছেন।

শহিদুল ইসলাম নামে একজন মোটরসাইকেল চালক বলেন, ‘একজন মোটরসাইকেল চালক বারবার লাইনে দাঁড়িয়ে ফুয়েল নিচ্ছে। তারা পরে সেটি বেশি দামে বিক্রি করে দিচ্ছে। আর যারা লাইনে দাঁড়াতে পারছেন না, তারা তেল পাচ্ছেন না। ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে এটি কিছুটা হলেও বন্ধ করা যাবে। আজ যে ব্যক্তি তেল নেবে, সে আগামী দুই-তিন দিন আর তেল নিতে পারবে না। তাহলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে কিছুটা হলেও ভিড় কমবে। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি।’

এদিকে আব্দুল আল মামুন নামে একজন বলেন, ‘আমি একটি ওষুধ কোম্পানিতে কাজ করি। তেলের অভাবে মোটরসাইকেল চালাতে পারছি না। বাধ্য হয়ে ভ্যানসহ অন্যান্য যানবাহনে চলাচল করতে হচ্ছে। ফুয়েল কার্ড নিয়ে নতুন করে আবারও বিপাকে পড়তে হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।’

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)