কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল একজন, সেও পাস করেনি। যদিও এই মাদরাসা থেকে ফরম ফিলআপ করে দুইজন। শেষপর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নেয় তৌফিক মোড়ল নামে একজন।
মাদরাসাটি হচ্ছে যশোরের কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা আদর্শ দাখিল মাদরাসা। ২০০০ সাল প্রতিষ্ঠার পর ২০০২ সালে অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি পাওয়া এই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৫ সাল থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা।
এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৪০-৪২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, আর শিক্ষক আছেন ১২ জন। এমপিওর জন্যে আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
চলতি বছর এই মাদরাসা থেকে তৌফিক মোড়ল নামে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েও অকৃতকার্য হয়েছে।
গৌরিঘোনা দাখিল মাদরাসার সুপার মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, এ বছর মাত্র দুইজন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম ফিল আপ করে। শেষপর্যন্ত তৌফিক মোড়ল পরীক্ষায় অংশ নেয় এবং সে ফেল করেছে।
তার প্রতিষ্ঠানে কতজন শিক্ষার্থী রয়েছে তা তিনি বলতে পারেন না বলে জানান।
এছাড়া, আলতাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও মাত্র একজন কৃতকার্য হয়েছে।
ফতেপুর রহিম মিয়া দাখিল মাদরাসা থেকে ১১জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে দুইজন পাস করেছে।
বাঁশবাড়িয়া দাখিল মাদরাসা হতে ১২ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুইজন পাস করেছে।
বাওশলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন পরীক্ষায় অংশ নেয়, পাস করেছে মাত্র দুইজন।
এছাড়া, মুলগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ১৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র তিনজন পাস করেছে বলে জানা যায়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জিল্লুর রশীদ বলেন, গৌরিঘোনা আদর্শ দাখিল মাদরাসা হতে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফেল করেছে। এছাড়া যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের গাফিলতির কারণে রেজাল্ট খারাপ করেছে, ওইসব শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হবে।