স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
অবৈধ দখলদারমুক্ত করে নদী বাঁচাতে মুক্তেশ্বরী থেকে ভৈরব পর্যন্ত (পুলেরহাট থেকে দড়াটানা পর্যন্ত) পদযাত্রা করেছে যশোরের মুক্তেশ্বরী বাঁচাও আন্দোলন কমিটি।
সোমবার বিকেলে যশোর সদরের পুলেরহাট (মুক্তেশ্বরী নদীর পাড়) থেকে পদযাত্রা শুরু করে ভৈরব পাড়ে (শহরের দড়াটানা) গিয়ে শেষ হয়।
পদযাত্রা শুরু আগে পুলেরহাটে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, কেন্দ্রীয় সদস্য জিল্লুর রহমান ভিটু, মুক্তেশ্বরী বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য সচিব রাশেদ খান, সংগঠনের আহবায়ক অনিল বিশ্বাস প্রমুখ।
বক্তৃতা শেষে পদযাত্রা শুরু করা হয়।
মুক্তেশ্বরী নদীর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, উজানে নদী সংযোগ ও দখলদারদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদানের দাবিতে নানা স্লোগান দিয়ে পদযাত্রাকারীরা চার কিলোমিটারের বেশি পথ অতিক্রম করেন।
দড়াটানার সমাবেশ জিল্লুর রহমান ভিটুর সঞ্চালনায় ও মুক্তেশ্বরী আন্দোলনের আহ্বায়ক অনিল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখের ভবদহ আন্দোলনের আহ্বায়ক অনীল বিশ্বাস, উদীচীর সভাপতি আমিনুর রহমান হিরু, যশোর ইনস্টিটিউটের সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বুলু, ভৈরব বাঁচাও আন্দোলনের নেতা হাচিনুর রহমার, আবুল কায়েস, মুক্তেশ্বরী বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য সচিব রাশেদ খান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়কালে মুক্তেশ্বরীর পানি নিষ্কাশনের জন্য খাল খনন করা হয়, যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। কিছু দখলবাজ সেই খালের জমি দখল করেছে, আর একদল মুক্তেশ্বরীর একটা অংশ দখল করে প্লট হিসেবে বিক্রির উদ্যোগ নেয়। সম্প্রতি সেগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন খনন করা প্রয়োজন।
বক্তারা বলেন, সেবার নামে আদ-দ্বীন নদী সংকুচিত করায় এড়োলের বিলসহ হাজার হাজার বিঘা জমির ফসল হচ্ছে না। এই সব দখলদারদের আইনের আওতায় এনে অবশ্যই শাস্তি প্রদান করতে হবে।