যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বাগেরহাটে ২২ কেজির দাতিনা আড়াই লাখে বিক্রি

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট,২০২৬, ০৬:১১ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট,২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
বাগেরহাটে ২২ কেজির দাতিনা আড়াই লাখে বিক্রি

বাগেরহাটে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২২ কেজি ওজনের বড় আকারের এক দাতিনা মাছ। বৃহস্পতিবার মাছটি কেবি মৎস্য বাজারের আড়তে দুই লাখ ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

বাগেরহাটে কচুয়া গ্রামের জেলে ইলিয়াস মাঝি গভীর সমুদ্র থেকে এই মাছ ধরেছেন।

ভরা মৌসুমেও এখন বাগেরহাটের কেবি বাজারে ইলিশের দেখা মিলছে না। কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পাওয়ায় হতাশ জেলে, আড়তদার ও ক্রেতারা। এরইমধ্যে গভীর সমুদ্রে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে ইলিয়াস মাঝি এই মাছ পেলেন।

স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইলিয়াস মাঝি মৌসুমের শুরু থেকেই গভীর সমুদ্রে মাছ ধরছেন। তবে আশানুরূপ মাছ না পাওয়ায় এখন লোকসানের মুখে রয়েছেন তিনি ও তার ট্রলারের জেলেরা। সম্প্রতি গভীর সমুদ্রে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও ঝুঁকি নিয়ে জাল ফেলেন ইলিয়াস মাঝি। একপর্যায়ে তার জালে উঠে আসে ২২ কেজি ওজনের বড় আকারের একটি দাতিনা মাছ।

মাছটি নিয়ে সারারাত ট্রলার চালিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে কেবি মৎস্য বাজারের আড়তে পৌঁছান তিনি। সেখানে মাছটি দেখতে ভিড় করেন শতশত মানুষ ও পাইকার। প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেও মাছটিকে ঘিরে বাজারে সৃষ্টি হয় ব্যাপক কৌতূহল।

কেবি বাজারের হাজি মিরাজের আড়তে মাছটির দর ওঠে।

আড়ত সূত্রে জানা যায়, মাছটির প্রতিমণ দর ওঠে ছয় লাখ টাকা সেই হিসেবে ২২ কেজি ওজনের মাছটি দুই লাখ ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

হাজি মিরাজের আড়ত থেকে মাছটি কেনেন পাশের আড়তদার হারুন মীর। তিনি বলেন, 'মাছটির কেজিপ্রতি দাম পড়েছে প্রায় ১৫ হাজার টাকা। অধিক মুনাফার আশায় মাছটি চট্টগ্রামের ফিশারিজ ঘাটে পাঠানো হবে।'

হারুন মীর বলেন, ‘‘মাছটি শেষ পর্যন্ত বিদেশেও চালান হতে পারে। এত বেশি দাম দিয়ে সাধারণ মানুষের পক্ষে এ মাছ কেনা বা খাওয়া সম্ভব নয়। মূলত মাছটির পেটের ভেতরের ‘প্যাটা’র দাম বেশি হওয়ায় চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেই মাছটি কিনেছি।’’

স্থানীয়রা জানান, দাতিনা মাছটি দেখতে কেবি বাজারে সকাল থেকেই উৎসুক মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার পাইকারদের ভিড় জমে। বড় আকারের মাছটি নিয়ে বাজারে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।

এদিকে ট্রলারের মাঝি ইলিয়াস জানান, 'মৌসুমের শুরু থেকেই আমরা লোকসানে আছি। সাগরে যেন মাছই নেই। তবে এই দাতিনা মাছটি পাওয়ায় ট্রলারের সব জেলেই খুব খুশি। সবার মুখে এখন হাসির ঝিলিক।'

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভরা মৌসুমে ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় কেবি মৎস্য বাজারে হতাশা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে বড় আকারের একটি দাতিনা মাছ ধরা পড়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)